♥বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন এর ব্যপারে
খুব
গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্ট, যা সবার জানা উচিৎ
১) ডিজিটাল যুগের আগের আঙ্গুলের ছাপ
আর
ডিজিটাল যুগের বায়োমেট্রিক
রেজিস্ট্রেশন এক
কথা নয়, আপনার বায়োমেট্রিক তথ্যের
অনেক
অপব্যবহার হতে পারে, সরকার তা থেকে
আপনাকে
নিরাপত্তা দিতে সক্ষম না।
২) পেটের দায়ে একান্ত বাধ্য হয়ে
বায়োমেট্রিক
রেজিস্ট্রেশন যদি করেই ফেলেনঃ তাও
আপনি এর
প্রতিবাদ করতে পারেন। মোবাইল
কোম্পানি গুলো
যেহেতু এই অন্যায়ে সরকারের সাথ
দিয়েছে, তাই
একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন
ব্যবহার
করবেন না। যতটুকু না করলেই নয়, মোবাইল
ফোনে শুধু
ততটুকুই কথা বলুন। দেখি আর্থিক ক্ষতি
কতদিন নিতে
পারে তারা।
৩) এখনও বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন
করেননি,
কিন্তু পেটের দায়ে একসময় করতেই হবে,
এমন হলেঃ
পরিবারের সবাই পরিবারের একজনের
নামে
রেজিস্ট্রেশন করুন। বয়োবৃদ্ধ কারও নামে
হলে
ভালো হয়। আইনগত কোন বাঁধা নেই এতে।
বায়োমেট্রিক তথ্যের যদি অপব্যবহার হয়ই,
অন্তত
পরিবারের বেশীরভাগ মানুষ বেঁচে যাবে।
সেই
সাথে বয়োবৃদ্ধ কেউ করার কারনে ভবিষ্যৎ
প্রজন্ম
বেঁচে যাবে।
৪) আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য চুরি
(হ্যাকিং) হয়ে
গেলে, আপনার নামে ভবিষ্যতে অনেক
ভূতুরে
কার্যক্রম হতে পারে, সতর্ক থাকুন, তৈরি
থাকুন।
৫) আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে
আপনার
নামে যে একাধিক অবৈধ সিম
রেজিস্ট্রেশন করা
হয়নি, তাঁর নিশ্চয়তা কি? মোবাইল
কোম্পানি এবং
সরকারের কাছে দাবি করুন, আপনার নামে
যে সব
সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, তা যেন
আপনি যে
কোন সময় জানতে পারেন, তারা যেন সেই
ব্যবস্থা
চালু করেন।
ভালো হয় আপনার নামে যত সিম নিবন্ধন
হবে, তা
যেন কোন একটা ইমেইল এড্রেস এ পাঠাতে
বাধ্য
থাকে মোবাইল কোম্পানি গুলি। তাহলে
আপনার
কাছেও প্রমাণ দেখানোর মতো একটা
রেকর্ড
থাকলো। কিছুদিন পরপর এই রেকর্ড চাইবেন।
নইলে
আপনার নামেই লোকজন সিম রেজিস্ট্রেশন
করে
অপকর্ম করবে, আর আপনি ফেঁসে যাবেন।
কোন
প্রমাণ নেই আপনার হাতে।
৬) আপনার মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি
গেলে
দ্রুত তা বন্ধ করার কোন উপায় নেই। ফলে
অপরাধীরা মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি
করে
তাদের অপকর্ম চালাবে। সাবধান থাকুন।
সরকারের
কাছে এর যৌক্তিক প্রতিকার দাবী করুন।
৭) অনেকে বলেন মোবাইল কোম্পানি গুলোর
কাছে
আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নিরাপদ না,
সরকার
নিজে করলে ঠিক আছে। এটা একটা ভুল
ধারনা।
মোবাইল কোম্পানি তো বটেই, সরকারের
কাছেও
আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নিরাপদ না।
সরকার
সেই সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
বিভিন্ন সময়ে
সরকারি সাইট হ্যাক, বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভ
চুরি এর প্রমাণ।
৮) শুধু বাংলাদেশ সরকার কেন, অন্যান্য
উন্নত
দেশও এখনও বায়োমেট্রিক তথ্যের
নিরাপত্তা
দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। ফলে
পাকিস্তান,
সৌদি আরব সহ কিছু পিছিয়ে পড়া দেশ
ছাড়া আর
কেউই এই পদ্ধতি চালু করেনি। ভবিষ্যতে
করলেও
তাদের শিক্ষিত জনগণ এর প্রতিবাদ করবে,
নিশ্চিত
থাকুন। ফিলিপাইনে কিছুদিন আগেও কোটি
কোটি
ফিঙ্গারপ্রিন্ট হ্যাক হয়েছে। যেহেতু
একবার চুরি
গেলে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট আর আপনি
নিরাপত্তার সাথে ব্যবহার করতে পারবেন
না, তাই
এই পদ্ধতিতে যাওয়াই চরম বোকামি এবং
অনিরাপদ।
৯) ন্যাশনাল আইডির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হাই
সিকিউরিটিতে রাখা non-networked
কম্পিউটার
সিস্টেমে বায়োমেট্রিক তথ্যের
নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা সম্ভব। আমাদের সবার উচিৎ
যার যার
অবস্থান থেকে এই ব্যপারটা সবাইকে
বোঝানো।
প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাওয়া থেকে শুরু
করে সব
ধরনের ব্যবস্থাই নিতে হবে - দেশের
ভবিষ্যতকে
রক্ষার জন্য। ৩০ এপ্রিল-ই শেষ কথা নয়।
১০) যে নিরাপত্তার ধোঁয়া তুলে সরকার এই
বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছে, সেই
নিরাপত্তা বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন
এর পরও
সরকার দিতে পারবে না। কারনঃ ফোন
ব্যবহার করে
কোন অপরাধ করা যায় না। হুমকি, ধামকি
দেয়া যায়
বড়জোর, ওগুলো ইগ্নোর করলেই হয়। হুমকি,
ধামকিতে
মানুষ মরে না। আর আসল অপরাধ (খুন,
ডাকাতি, চুরি,
চাঁদাবাজি, ধর্ষন, অপহরণ) এর জন্য ফোন
লাগে না।
লাগলে ফোন ছিনতাই করেও অপরাধীরা তা
করতে
পারবে। আপনার ফোন ছিনতাই করার পর
সাথে
সাথে তো আর আপনি সিম বন্ধ করতে
পারবেন না।
এর মধ্যেই তারা তাদের কাজ সেরে
ফেলবে।
তাছাড়া মোবাইল কোম্পানির অসাধু
কর্মচারি,
কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অন্য কারও নামে
অবৈধ সিম
নিবন্ধন করে কিংবা সিম ক্লোনিং করেও
অপরাধ
চালু রাখতে পারবে। অন্যায় করবে একজন,
ধরা খাবে
আরেকজন। এরকম কিছুদিন আগেও হয়েছে।
সুতরাং
নিরাপত্তার এই অজুহাত খুবই ঠুনকো।
১১) VOIP ব্যবহার বন্ধের নামেও সরকার
বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছে,
এখানেও
আছে শুভঙ্করের ফাঁকিঃ VOIP নতুন
টেকনোলজি,
বেশীরভাগ উন্নত দেশে ইন্টারনেটের
মতোই VOIP
বৈধ। এটা বন্ধ করাই বরং অনৈতিক এবং
বোকামি।
VOIP সম্পুর্ন অবাধ ও বৈধ করা হলে মানুষ
অনেক কম
খরচে দেশে বিদেশে যোগাযোগ করতে
পারবে।
সরকার একটা গোষ্ঠীর অধিক মুনাফার জন্য
VOIP
অবৈধ ঘোষণা করেছে। পোস্ট
Home » Unlabelled » বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন এর ব্যপারে খুব গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্ট, যা সবার জানা উচিৎ
বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন এর ব্যপারে খুব গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্ট, যা সবার জানা উচিৎ
♥বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন এর ব্যপারে
খুব
গুরুত্বপূর্ন কিছু পয়েন্ট, যা সবার জানা উচিৎ
১) ডিজিটাল যুগের আগের আঙ্গুলের ছাপ
আর
ডিজিটাল যুগের বায়োমেট্রিক
রেজিস্ট্রেশন এক
কথা নয়, আপনার বায়োমেট্রিক তথ্যের
অনেক
অপব্যবহার হতে পারে, সরকার তা থেকে
আপনাকে
নিরাপত্তা দিতে সক্ষম না।
২) পেটের দায়ে একান্ত বাধ্য হয়ে
বায়োমেট্রিক
রেজিস্ট্রেশন যদি করেই ফেলেনঃ তাও
আপনি এর
প্রতিবাদ করতে পারেন। মোবাইল
কোম্পানি গুলো
যেহেতু এই অন্যায়ে সরকারের সাথ
দিয়েছে, তাই
একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন
ব্যবহার
করবেন না। যতটুকু না করলেই নয়, মোবাইল
ফোনে শুধু
ততটুকুই কথা বলুন। দেখি আর্থিক ক্ষতি
কতদিন নিতে
পারে তারা।
৩) এখনও বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন
করেননি,
কিন্তু পেটের দায়ে একসময় করতেই হবে,
এমন হলেঃ
পরিবারের সবাই পরিবারের একজনের
নামে
রেজিস্ট্রেশন করুন। বয়োবৃদ্ধ কারও নামে
হলে
ভালো হয়। আইনগত কোন বাঁধা নেই এতে।
বায়োমেট্রিক তথ্যের যদি অপব্যবহার হয়ই,
অন্তত
পরিবারের বেশীরভাগ মানুষ বেঁচে যাবে।
সেই
সাথে বয়োবৃদ্ধ কেউ করার কারনে ভবিষ্যৎ
প্রজন্ম
বেঁচে যাবে।
৪) আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য চুরি
(হ্যাকিং) হয়ে
গেলে, আপনার নামে ভবিষ্যতে অনেক
ভূতুরে
কার্যক্রম হতে পারে, সতর্ক থাকুন, তৈরি
থাকুন।
৫) আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে
আপনার
নামে যে একাধিক অবৈধ সিম
রেজিস্ট্রেশন করা
হয়নি, তাঁর নিশ্চয়তা কি? মোবাইল
কোম্পানি এবং
সরকারের কাছে দাবি করুন, আপনার নামে
যে সব
সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, তা যেন
আপনি যে
কোন সময় জানতে পারেন, তারা যেন সেই
ব্যবস্থা
চালু করেন।
ভালো হয় আপনার নামে যত সিম নিবন্ধন
হবে, তা
যেন কোন একটা ইমেইল এড্রেস এ পাঠাতে
বাধ্য
থাকে মোবাইল কোম্পানি গুলি। তাহলে
আপনার
কাছেও প্রমাণ দেখানোর মতো একটা
রেকর্ড
থাকলো। কিছুদিন পরপর এই রেকর্ড চাইবেন।
নইলে
আপনার নামেই লোকজন সিম রেজিস্ট্রেশন
করে
অপকর্ম করবে, আর আপনি ফেঁসে যাবেন।
কোন
প্রমাণ নেই আপনার হাতে।
৬) আপনার মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি
গেলে
দ্রুত তা বন্ধ করার কোন উপায় নেই। ফলে
অপরাধীরা মোবাইল ফোন ছিনতাই বা চুরি
করে
তাদের অপকর্ম চালাবে। সাবধান থাকুন।
সরকারের
কাছে এর যৌক্তিক প্রতিকার দাবী করুন।
৭) অনেকে বলেন মোবাইল কোম্পানি গুলোর
কাছে
আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নিরাপদ না,
সরকার
নিজে করলে ঠিক আছে। এটা একটা ভুল
ধারনা।
মোবাইল কোম্পানি তো বটেই, সরকারের
কাছেও
আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নিরাপদ না।
সরকার
সেই সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
বিভিন্ন সময়ে
সরকারি সাইট হ্যাক, বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভ
চুরি এর প্রমাণ।
৮) শুধু বাংলাদেশ সরকার কেন, অন্যান্য
উন্নত
দেশও এখনও বায়োমেট্রিক তথ্যের
নিরাপত্তা
দেয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। ফলে
পাকিস্তান,
সৌদি আরব সহ কিছু পিছিয়ে পড়া দেশ
ছাড়া আর
কেউই এই পদ্ধতি চালু করেনি। ভবিষ্যতে
করলেও
তাদের শিক্ষিত জনগণ এর প্রতিবাদ করবে,
নিশ্চিত
থাকুন। ফিলিপাইনে কিছুদিন আগেও কোটি
কোটি
ফিঙ্গারপ্রিন্ট হ্যাক হয়েছে। যেহেতু
একবার চুরি
গেলে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট আর আপনি
নিরাপত্তার সাথে ব্যবহার করতে পারবেন
না, তাই
এই পদ্ধতিতে যাওয়াই চরম বোকামি এবং
অনিরাপদ।
৯) ন্যাশনাল আইডির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হাই
সিকিউরিটিতে রাখা non-networked
কম্পিউটার
সিস্টেমে বায়োমেট্রিক তথ্যের
নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা সম্ভব। আমাদের সবার উচিৎ
যার যার
অবস্থান থেকে এই ব্যপারটা সবাইকে
বোঝানো।
প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাওয়া থেকে শুরু
করে সব
ধরনের ব্যবস্থাই নিতে হবে - দেশের
ভবিষ্যতকে
রক্ষার জন্য। ৩০ এপ্রিল-ই শেষ কথা নয়।
১০) যে নিরাপত্তার ধোঁয়া তুলে সরকার এই
বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছে, সেই
নিরাপত্তা বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন
এর পরও
সরকার দিতে পারবে না। কারনঃ ফোন
ব্যবহার করে
কোন অপরাধ করা যায় না। হুমকি, ধামকি
দেয়া যায়
বড়জোর, ওগুলো ইগ্নোর করলেই হয়। হুমকি,
ধামকিতে
মানুষ মরে না। আর আসল অপরাধ (খুন,
ডাকাতি, চুরি,
চাঁদাবাজি, ধর্ষন, অপহরণ) এর জন্য ফোন
লাগে না।
লাগলে ফোন ছিনতাই করেও অপরাধীরা তা
করতে
পারবে। আপনার ফোন ছিনতাই করার পর
সাথে
সাথে তো আর আপনি সিম বন্ধ করতে
পারবেন না।
এর মধ্যেই তারা তাদের কাজ সেরে
ফেলবে।
তাছাড়া মোবাইল কোম্পানির অসাধু
কর্মচারি,
কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অন্য কারও নামে
অবৈধ সিম
নিবন্ধন করে কিংবা সিম ক্লোনিং করেও
অপরাধ
চালু রাখতে পারবে। অন্যায় করবে একজন,
ধরা খাবে
আরেকজন। এরকম কিছুদিন আগেও হয়েছে।
সুতরাং
নিরাপত্তার এই অজুহাত খুবই ঠুনকো।
১১) VOIP ব্যবহার বন্ধের নামেও সরকার
বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করাচ্ছে,
এখানেও
আছে শুভঙ্করের ফাঁকিঃ VOIP নতুন
টেকনোলজি,
বেশীরভাগ উন্নত দেশে ইন্টারনেটের
মতোই VOIP
বৈধ। এটা বন্ধ করাই বরং অনৈতিক এবং
বোকামি।
VOIP সম্পুর্ন অবাধ ও বৈধ করা হলে মানুষ
অনেক কম
খরচে দেশে বিদেশে যোগাযোগ করতে
পারবে।
সরকার একটা গোষ্ঠীর অধিক মুনাফার জন্য
VOIP
অবৈধ ঘোষণা করেছে। পোস্ট
Post a Comment
TipS ExPreSs
